• ৩রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৬ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

‘দুলাভাইকে কথা বলতে না দিলে দুলাভাই যাবে গিয়া’

ডেইলি সিলেট নিউজ
প্রকাশিত মে ২, ২০২৬
‘দুলাভাইকে কথা বলতে না দিলে দুলাভাই যাবে গিয়া’

প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে উঠতেই ‘দুলভাই, দুলাভাই’ স্লোগান শুরু করলেন উপস্থিত জনতা। প্রধানমন্ত্রী বক্তৃতা করার জন্য হাতে মাইক্রোফোন নেওয়ার পর স্লোগান আরও উচ্চকিত হলো।

দীর্ঘক্ষণেও স্লোগান না থামায় একপর্যায়ে ঠাট্টা করে প্রধানমন্ত্রী বলে ওঠেন- ‘দুলাভাইকে কথা বলতে না দিলে দুলাভাই যাবে গিয়া, যাই আমি। যাবো?’ প্রধানমন্ত্রীর কথায় মঞ্চে বসা অতিথিরা। হেসে ওঠেন উপস্থিত জনতাও।

শনিবার দুপুরে সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নে বাসিয়া নদী খনন পরবর্তী জনসভায় এমন হাস্যরসের ঘটনা ঘটে। দুপুরে এই নদী খনন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর নদী তীরে জনসভায় বক্তৃতা দেন তিনি।

এসময় তিনি আরও বলেন, ‘কথা বলতে চুপ করতে হবে। আমি কথা বলি শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে শুনতে হবে কথা।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্বশুড় বাড়ি সিলেটে। তাই সিলেটে তাকে ‘দুলাভাই’ হিসেবে সম্বোধন করে থাকেন অনেকে। শনিবার স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে নিয়েই সিলেট সফরে আসেন তারেক রহমান।

বক্তব্য প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খালটি খনন করেছিলেন। পরবর্তীতে এটি বন্ধ হয়ে যায়। এই খাল পুনঃখননের মাধ্যমে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৮০ হাজার এবং পরোক্ষভাবে দেড় লাখ কৃষক উপকৃত হবেন। এতে প্রায় ৭ হাজার মেট্রিক টন ফসল বেশি উৎপাদন হবে। শুধু খাল খনন নয়, খালের দুই পাশে ফলের গাছ লাগানো হবে যাতে এলাকার মানুষ ফল খেতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সরকার কৃষকবান্ধব সরকার। শুধু বাসিয়া নয়, দেশের সকল খাল পর্যায়ক্রমে খনন করা হবে। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড প্রদান কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের মাত্র ১০ দিন পর ১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা ঋণ সুদসহ মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই এই দেশের কৃষক ভাইয়েরা ভালো থাকুক।

তিনি আরও বলেন, ১২ তারিখে দেশের মানুষ এমন একটি সরকার নির্বাচিত করেছে, যে সরকার মানুষের কাছে জবাবদিহি করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন