সিলেট ও সুনামগঞ্জে বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে কুশিয়ারার পানি

ডেইলি সিলেট নিউজ
প্রকাশিত July 18, 2026
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে কুশিয়ারার পানি

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের মারকুলিতে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার তথ্য দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

শনিবার সকাল ৯টায় ফেঞ্চুগঞ্জে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার এবং মারকুলিতে ৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।

কেন্দ্রের নিয়মিত বুলেটিন বলছে, গত ২৪ সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী তিনদিন পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। এসময়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জে নদী লাগোয়া নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।

ভারতের মণিপুর রাজ্যের আঙ্গামি নাগা পাহাড় থেকে সৃষ্ট বরাক নদী সিলেট সীমান্তে এসে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুটি ধারায় বিভক্ত হয়েছে। এ দুই নদী কিশোরগঞ্জের ভৈরববাজারের কাছে মিলিত হয়ে মেঘনা নদী গঠন করেছে, যার মিশেছে বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে।

এদিকে পিয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী, সারি গোয়াইন ও ভোগাই নদীর উজানে ভারতের মেঘালয়ে অতি ভারি বৃষ্টি হয়েছে। বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় মাউসিনরামে ৩৪৯ মিলিমিটার, আর কে এম সোহরায় ২৮০, চেরাপুঞ্জিতে ২৫২ ও মাওফ্লাংয়ে ৯৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এসময়ে ভারতের দক্ষিণ ত্রিপুরার বিলোনিয়ায় ১০০ এবং অরুণাচলের পাসিঘাটে ৮৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল থাকলেও আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় এসব নদীর কিছু স্থানে বিপৎসীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হতে পারে। ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।

এদিয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমাংশ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপ উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে গেছে। তা আগামী ২৪ ঘণ্টায় ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন