গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারের বিভিন্ন হাটবাজারে চাঁদাবাজির অভিযোগে উদ্বেগ : নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

ডেইলি সিলেট নিউজ
প্রকাশিত June 1, 2026
গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারের বিভিন্ন হাটবাজারে চাঁদাবাজির অভিযোগে উদ্বেগ : নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক ::
সিলেটের গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে চাঁদাবাজি, ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব ঘটনার কারণে অনেক ব্যবসায়ী নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, গোলাপগঞ্জ বাজার, নারাপিং বাজার, রামদা বাজার এবং বিয়ানীবাজারের কয়েকটি এলাকায় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ব্যবসায়ীদের ওপর বিভিন্ন ধরনের চাপ সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
একাধিক ব্যবসায়ী, যারা পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি, বলেন যে তারা নিরাপত্তার কারণে প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন। তাদের দাবি, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে, অভিযোগে যাদের নাম এসেছে, তাদের বক্তব্যও এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
এলাকাবাসীর দাবি, বাজারগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার, ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা জরুরি।
স্থানীয় একাধিক ব্যবসায়ী ও বাসিন্দার অভিযোগ, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে পরিচিত কয়েকজন ব্যক্তি—যাদের মধ্যে সুলতান আহমেদ মজনু, ফলিকুর রহমান, লুত্ফুর রহমান, রেজওয়ান আহমেদ রিজু, নাজমুল ইসলাম, আলী আকবর ফখর, তাজুল ইসলাম, মান্না মিয়া, এনামুল হক আবুল, তারেক আহমদ, দেলোয়ার হোসেন এবং রাবেল-এর নাম উল্লেখ করা হচ্ছে—রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, গোলাপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাজার, নারাপিং, রামদা বাজার এবং বিয়ানীবাজারের কয়েকটি এলাকায় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, দোকান দখলের চেষ্টা এবং প্রভাব বিস্তারের মতো ঘটনার সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে অভিযোগে উল্লেখিত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন