আজ মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২০

সারা দেশের ন্যায় সিলেট, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জের নদী তীর দখলমুক্তকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে

 প্রকাশিত: ২০১৯-১২-২৪ ১১:৩৫:১১

সারা দেশের ন্যায় সিলেট, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জের নদী তীর দখলমুক্তকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার থেকে নদী, খাল, ছড়া, হাওরসহ অন্যান্য জলাধার তীরবর্তী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।
জকিগঞ্জ : জকিগঞ্জ (সিলেট) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, জকিগঞ্জের আটগ্রাম বাজার এলাকায় সুরমা নদীর তীরে গড়ে উঠা প্রায় ৬৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো)। গতকাল সোমবার সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এডিসি (রেভিনিউ) নাসিরুল্লাহ ও জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজন কুমার সিংহের নেতৃত্বে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উচ্ছেদ অভিযানে সুরমা নদীর বেড়িবাঁধের উপর অবৈধভাবে গড়ে উঠা ছোট, বড়, পাকা, আধা-পাঁকা, টিনেরসহ প্রায় ৬৫টি দোকান ঘর বুলডোজার দিয়ে উচ্ছেদ করা হয়।
পাউবো’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. সেলিম জাহাঙ্গীর জানান, প্রশাসনের নির্দেশে সারা দেশের ন্যায় জকিগঞ্জ উপজেলার আটগ্রাম বাজার এলাকায় সুরমা নদীর তীরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গার উপর স্থাপিত অবৈধ প্রায় ৬৫টি স্থাপনা উচ্ছদ করা হয়েছে। উচ্ছেদ অভিযানের আগে স্থাপনা সরিয়ে নিতে নোটিশ দেয়া হয়েছে। উচ্ছেদ অভিযান শেষ হওয়ার পর ঐ জায়গার উপর গাছের চারা রোপণ করা হবে।
এ ব্যাপারে জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজন কুমার সিংহ বলেন, প্রশাসনের নির্দেশে সারা দেশের ন্যায় জকিগঞ্জে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গার উপর স্থাপিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গার উপর স্থাপিত সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।
এদিকে, একই দিনে বিকেলের দিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ উপজেলার শাহগলী বাজারে সড়ক ও জনপথের জায়গার উপর অবৈধভাবে নির্মিত দেড় শতাধিক স্থাপনা বুলডোজার দিয়ে উচ্ছেদ করেছে। এতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সিলেট অফিসের কর্মকর্তারা নেতৃত্ব দেন। উচ্ছেদ অভিযানে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ছোট, বড়, পাকা, আধা-পাঁকা, টিনেরসহ প্রায় দেড় শতাধিক দোকান ঘর বুলডোজার দিয়ে উচ্ছেদ করা হয়।
জৈন্তাপুর : জৈন্তাপুর (সিলেট) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, জৈন্তাপুর উপজেলার সারীঘাট ডৌডিক এলাকায় পাউবো’র বেড়ি বাঁধের উপর গড়ে উঠা অবৈধ প্রায় ৩০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এই উচ্ছেদ অভিযান করা হয়। জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) লুসি কান্ত হাজং এ উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- পাউবো’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এ, কে এম নিলয় পাশা, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম সরকার, রাজস্ব কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান, রাজস্ব সার্ভেয়ার সোহানুর রহমান, ইলেক্ট্রিশিয়ান বেলাল হোসেন, জৈন্তাপুর মডেল থানার এস আই মো. আজিজুর রহমান, এএসআই রায়হান কবির, নিজপাট ইউনিয়নের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান মো. ইয়াহিয়া, ইউপি সদস্য ফয়জুল হোসেন, উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান প্রমুখ। উচ্ছেদ অভিযানে ছোট বড় আধা-পাকা প্রায় ৩০টি দোকান ঘর উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেদ অভিযান পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়। পাউবো’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম সরকার জানান, প্রশাসনের নির্দেশে সারা দেশের ন্যায় জৈন্তাপুর উপজেলার ডৌডিক এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গার উপর স্থাপিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছদ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে জৈন্তাপর উপজেলার অন্যান্য এলাকায় গড়ে উঠো অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। তিনি জানান, উচ্ছেদকৃত জায়গার উপর বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) লুসি কান্ত হাজং বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সারা দেশের ন্যায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গার উপর স্থাপিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, উচ্ছেদ অভিযানের আগে মাইকিং করা হয় এবং স্থাপনা সরিয়ে নিতে নোটিশ দেয়া হয়েছে। মূলত: পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় উচ্ছেদ অভিযান করা হয় এখানে আমি শুধু আইনগত সহায়তা করেছি।
সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি জানান, সারা দেশের ন্যায় সুনামগঞ্জেও নদী, খাল, ছড়া, হাওরসহ অন্যান্য জলাধারার তীরবর্তী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে।
গতকাল সোমবার সকালে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বড়পাড়া এলাকার ৯টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্যানুযায়ী সুনামগঞ্জের প্রাথমিক তালিকায় ২৪৮টি নদী ও খাল তীরবর্তী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ২৬টি, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় ৪০টি, ছাতক উপজেলায় ১৩টি, জামালগঞ্জ উপজেলায় ২৫টি, ধর্মপাশা উপজেলায় ৩০টি, জগন্নাথপুর উপজেলায় ৬০টি এবং তাহিরপুর উপজেলায় ৬৪টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের প্রাথমিক তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
এদিকে, প্রথমদিকে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৯টি অবৈধ স্থাপনার মধ্যে ২টি নদী তীরবর্তী বসতঘর হওয়ায় তাদেরকে কয়েকদিনের সময় প্রদান করে জেলা প্রশাসন।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, সুনামগঞ্জ স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. এমরান হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. হারুন অর রশীদ, মো. মোকলেছুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সবিবুর রহমান, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসমিন নাহার রুমা প্রমুখ।
তাহিরপুর : তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, তাহিরপুরের সীমান্তনদী যাদুকাটার তীরে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। গতকাল সোমবার বিকেলে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজেন ব্যানার্জী ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুনতাসির হাসানের নেতৃত্বে তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমানের সহযোগীতায় যাদুকাটা নদীর গাঘটিয়া ও পাঠানপাড়া খেয়াঘাট নামক স্থান থেকে ২টি শেইভ মেশিন, ১ টিনশেড ঘর ও ৫টি পাথর ভাঙার ক্রাশার মেশিন আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করে উপজেলা প্রশাসন।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজেন ব্যানার্জী জানান, সারা দেশে গতকাল সোমবার একই সময়ে নদ-নদী, খালের তীরবর্তী স্থানে অবৈধভাবে গড়ে উঠা সকল স্থাপনা ও দখলদারদের উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান তাহিরপুরে পরিচালনা করা হয়েছে। উপজেলার নদীগুলোর তীরে অবৈধভাবে গড়ে উঠা সকল স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জগন্নাথপুর : জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে অভিযানে ২টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুল আলম মাসুমের নেতৃত্বে পৌর সদরের নলজুর নদীর সীমানা চিহ্নিত করা হয়। এ সময় সিটি ব্যাংকের পাশে নদী পাড়ের ২টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুল আলম মাসুম বলেন, নদীর সীমানা চিহ্নিতকরণ কাজ চলছে।
জামালগঞ্জ : জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, জামালগঞ্জ উপজেলায়ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ভীমখালী ইউনিয়নের আটগাঁও লাল বাজারের অবৈধ ২১.৮৯ একর ভূমিতে অবৈধ স্থ্াপনা ভেঙ্গে উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
গতকাল সোমবার দিনব্যাপী এই অভিযানে লাল বাজারে দৌলতা মরা নদীর তীরে গড়ে ওঠা ২২টি কাঁচা-পাকা গৃহ এস্কেভেটর দিয়ে উচ্ছেদ করা হয়েছে। হায়াতপুর মৌজার ২ নম্বর সিটের ৮৭ নম্বর জেএলএ’র ১ নম্বর খতিয়ানের ৭২২, ৭২৪, ও ৯৮৩ খতিয়ানে বাধ, নদী ও গোপাট রকম ভূমিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালীন সময়ে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রিয়াংকা পাল, সুনামগঞ্জ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আল-আমিন সরকার, জামালগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা শামসাদ বেগম, থানা ও জেলার সমন্বয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।
হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি জানান, হবিগঞ্জ জেলায়ও গতকাল সোমবার থেকে নদ-নদীর অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। সকাল সাড়ে দশটায় জেলা সদরের মশাজান এলাকার খোয়াই নদীর অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়। অভিযান পরিচালনাকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, জেলা বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী এম এল সৈকতসহ প্রশাসনের কর্মকর্তরা অংশগ্রহণ করেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, অবৈধ দখলদারকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না। উচ্ছেদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান চলবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী এমএল সৈকত জানান, গতকাল সোমবার অভিযানের প্রথমদিন হবিগঞ্জ সদর ও চুনারুঘাট উপজেলায় চারটি মৌজায় খোয়াই নদীর ৮০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এগুলো হল হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নুরপুর ও মশাজান মৌজা এবং চুনারুঘাট উপজেলার পারকুল ও বড়াইল মৌজা।
তিনি জানান, খোয়াই নদীর পরপরই বরাক ও বিবিয়ানা নদীতে উচ্ছেদ শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে চিহ্নিত সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।
তিনি আরও জানান, হবিগঞ্জে একহাজার ৪৫টি অবৈধ দখলদার চিহ্নিত করে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
চুনারুঘাট : চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা : হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার পুরাতন মরা খোয়াই নদীর সরকারী ভূমি থেকে অবৈধ দখলদারদের স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে।
গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় পৌরশহরের পাকুড়িয়া, বড়াইল মৌজা সমূহের মধ্যে পুরাতন খোয়াই নদীর উভয় তীরে মধ্যবাজার ডিসিপি হাইস্কুল সংলগ্ন সরকারি ভূমিতে অবৈধভাবে গড়ে উঠা বসতভিটা দোকান ভিটা উচ্ছেদ করেন।
মরা নদী উদ্ধারে ছিলেন আরডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা।
এ সময় তাদের সহযোগিতা করেন চুনারুঘাট থানার এসআই মুসলিম, স্থানীয় কাউন্সিলর আরজু মিয়াসহ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।
আরডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা বলেন, উচ্ছেদ কার্যক্রম সরকারের নিয়মিত অভিযানের একটি অংশ। দেশের নদী ও পরিবেশ রক্ষায় সরকার বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে এ অভিযান অব্যাহত রাখবে। আমরা এ কার্যক্রমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
প্রসঙ্গত, নদীকে জীবন্ত সত্ত্বা ঘোষণা করে হাইকোর্ট গত ১ জুলাই পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন। এরপর নদী তীরবর্তী অবৈধ স্থাপনাসমূহের তালিকা করা হয়। তালিকা অনুযায়ী এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য