আজ শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯

হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডাঃ মুশফিক চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৯-০৬ ১৫:৫১:৫৬

হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডাঃ মুশফিক চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ডাঃ মুশফিক হুসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

গত ২৫ আগস্ট সিলেট মহানগর দায়রা জজ এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

কিন্তু ১১ দিন অতিবাহিত হলেও হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় এখনো গ্রেফতারী পরোয়ানা আসেনি ।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৪ আগস্ট কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের অর্থ ও পরিকল্পনা উপ-কমিটির সদস্য এডভোকেট মোঃ মাছুম বিল্লাহ চৌধুরীর ১ কোটি ২০ লাখ টাকা পাওনার বাবদ ডাচ বাংলা সিলেট শাখার একটি চেক ( ঈউ/অ ২৩৬২৬০৩) প্রদান করেন আসামীরা।

ওইদিন মাছুম বিল্লাহ চৌধুরী চেকটি পূবালী ব্যাংক সিলেট শাখায় নগদায়নের জন্য জমা দেন। কিন্তু ১৬ আগস্ট চেকটি নগদায়ন না হয়ে প্রত্যাখ্যান করে ব্যাংক।

বাদি ওইদিনই আসামীদের বিষয়টি লিখিতভাবে অবহিত করেন। এরপর ২০ আগস্ট এন.আই অ্যাক্টের মাধ্যমে ৩০ দিনের মধ্যে সমুদয় টাকা পরিশোধ রেজিস্ট্রার ডাকযোগে নোটিশ প্রদান করা হয়।

কিন্তু আসামীরা ৩০ দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে ২৫ সেপ্টেম্বর মাছুম বিল্লাহ চৌধুরী বাদি হয়ে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও আমলি আদালতে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আসামী করা হয় হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডাঃ মুশফিক হুসেন চৌধুরী, মোঃ শামছুল ইসলাম টুনু, আহমেদ শাহনেওয়াজ চৌধুরীকে।

গত ২৫ আগষ্ট আসামীদের পক্ষে তাদের আইনজীবী জামিন ও সময় আবেদন করলে আদালত তা না-মঞ্জুর করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

এদিকে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী ১১ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় গ্রেফতারী পরোয়ানার কোন কাগজ-পত্র আসেনি বলে নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুক আলী।

এ ব্যাপারে মামলার বাদি কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের অর্থ ও পরিকল্পনা উপ-কমিটির সদস্য এডভোকেট মোঃ মাছুম বিল্লাহ চৌধুরী বলেন- এতদিনেও গ্রেফতারী পরোয়ানা কেন আসেনি কিছুই বুঝতে পারছি না।

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডাঃ মুশফিক হুসেন চৌধুরীর সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

 

 

সূত্রঃ ব্জ্রকন্ঠ

আপনার মন্তব্য