আজ শনিবার, ০৮ অগাস্ট, ২০২০

রিপোর্ট যখন হাতে পেলেন, বিমান তখন আকাশে!

 প্রকাশিত: ২০২০-০৭-২৮ ১৫:০১:৫৩

 

করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট বিদেশগামীদের জন্য এক গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রিপোর্ট পেতে ভোগান্তির পাশাপাশি ফ্লাইট মিস করার শঙ্কাও কাজ করছে তাদের মধ্যে।

চট্রগ্রামের রাউজানের আসাদুজ্জামান সোমবার সকাল ৯:৪৫ মিনিটে চট্রগ্রাম থেকে ঢাকা এসে দুপুর ২:৩০টায় দুবাইগামী ফ্লাইট ধরে কর্মস্থল দুবাই যাওয়ার কথা ছিল এবং

 তার আগে ২৬ জুলাই রোববার বিকেল ৩টায় করোনা সনদ পাওয়ার কথা ছিল। বিকেল গড়িয়ে রাত হয়েছে, রাত কেটে সকাল- ১৮ ঘণ্টা অপেক্ষার পরও করোনা সনদ পাননি তিনি।

প্রায় ২২ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে তিনি যখন করোনা সনদ পেলেন, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ফ্লাইট তখন উড়াল দিয়েছে।

তার পরও আসাদুজ্জামান প্রাণ হাতে নিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন বিমানবন্দরে, যদি কোনো একটা ফ্লাইটে ঢাকা পৌঁছে দুপুর আড়াইটায় দুবাইয়ের বিমানটা ধরা যায়! বিধিবাম। কোনো বিমানেই আসন খালি নেই। তাই তিনি যেতে পারেননি ঢাকা, যাওয়া হয়নি কর্মস্থল দুবাইয়েও।

গতকাল সোমবার যথাসময়ে করোনা সনদ না পাওয়ায় চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক বিদেশগামী যাত্রী ফ্লাইট মিস করেছেন।

গত রোববার বিকেল ৩টা থেকে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন অফিসে অপেক্ষা করে, খোলা আকাশের নিচে নির্ঘুম রাত কাটিয়েও সকালে নির্ধারিত ফ্লাইটের আগে রিপোর্ট পাননি তারা। রিপোর্ট না পেয়ে অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। দীর্ঘ অপেক্ষার পর যারা পেয়েছেন, তারাও সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন।ফ্লাইট ধরার জন্য এক কাপড়েই অনেককে ছুটতে হয়েছে বিমানবন্দরে। দেখা করা হয়ে ওঠেনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে

আপনার মন্তব্য