আজ শনিবার, ৩০ মে, ২০২০

ক্যাম্পাস স্থিতিশীল রাখতে বিশিষ্টজনদের আহ্বান

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-৩০ ২০:৪৬:০০

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী ক্যাম্পাস স্থিতিশীল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।

সোমবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানান তারা। 

ক্যাম্পাসে স্থিতিশীল পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে মতবিনিময় ও আলোচনা সভার আয়োজন করে কোটা সংস্কার আন্দোলন পরিচালনাকারী ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’। 

এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ (ঢাবি) বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে তাদের অভিমত তুলে ধরেন।

ঢাবির অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এম এম আকাশ বলেন, কোটা আন্দোলনকে বিএনপি, শিবিরের কর্তৃক পরিচালিত আন্দোলন মনে করে দমনের চেষ্টা করা হলে সেটি ভুল হবে। এটিও সত্য যে এ আন্দোলনে শত্রুপক্ষ ঢুকে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করতে পারে। যার একটি উদাহরণ ঢাবি উপাচার্যের (ভিসি) বাড়িতে আক্রমণ। ভিসিও বলেছেন- আক্রমণকারীরা বহিরাতগত। যাদের আটক করা হয়েছে তারাও বহিরাগত। 

তিনি বলেন, ‘উদোর পিণ্ডি বুদোর ঘাড়ে’ চাপিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর রাষ্ট্র বা কোনো বাহিনী নির্যাতন করলে আমরা বরদাস্ত করবো না। আমরা বুক ফুলিয়ে ক্যাম্পাস চলবো আমরা শিক্ষক-ছাত্র ন্যায়ের পক্ষে।

কোটা নিয়ে এম এম আকাশ বলেন, বিশেষ সুবিধা হবে অল্প লোকদের জন্য তাও অল্প সময়ের জন্য প্রযোজ্য হবে। এ কোটা প্রথার সংস্কার করতে হবে। মেরিটের (যোগ্যতা) ভিত্তিতে প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এ দাবি ন্যায্য। পৃথিবীর অন্যান্য দেশও মেধার ভিত্তিতে প্রশাসন গড়ার পেছনে অগ্রসর হয়েছে।

‘শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন যৌক্তিক’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। আমি মনে করি মু্ক্তিযোদ্ধারা কোটার জন্য যুদ্ধ করেননি। তবে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে যারা অস্বচ্ছল তাদের জন্য কোটা সুবিধা দেওয়া যেতে পারে। সেটি এক জেনারেশন জন্য হতে পারে। একবার সুযোগ নেওয়ার পর দ্বিতীয়বার সুযোগ দেওয়া যাবে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সৌরভ সিকদার বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক।

আপনার মন্তব্য