আজ শনিবার, ০৬ Jun, ২০২০

নির্বাচিত

আলোচিত




ইমাদে অতিষ্ঠ সুবিদবাজারবাসী, পুলিশের প্রতি ক্ষোভ

সিলেটে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মধ্যে ফিল্প রিলিফ এর পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ

সিলেটের ওসমানীনগরে দুপক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত

র‍্যাব-এর নতুন মহাপরিচালক সুনামগঞ্জের চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন

মোদির সঙ্গে কী নিয়ে কথা বলবেন ট্রাম্প?

করোনাভাইরাস : নতুন মাইলফলকে চীন নতুন রোগীর সংখ্যা শূন্যতে নামল



বঙ্গদেশে করোনা: প্রাপ্তি ও সম্ভাবনা

করোনাভাইরাস : নতুন মাইলফলকে চীন নতুন রোগীর সংখ্যা শূন্যতে নামল

লকডাউনের প্রস্তুতি নিচ্ছে লন্ডন, দেশজুড়ে স্কুল বন্ধের ঘোষণা



মুক্তিযুদ্ধ

সিলেটের ৬ জন সহ ৪০ জন বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি প্রদান

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের হাতে নির্যাতিত সিলেটের ৬ বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি লাভ করেছেন। মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া সিলেটের ৬ বীরাঙ্গনা হলেন- কোকিলা বেগম, রেজিয়া বেগম, মায়া বিবি, জয়গুণ নেছা, ললিতা নমসুদ্র, শহর বানু মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেলেন। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলার মিলে আরো ৪০ জন বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি গেজেট সম্প্রতি জারি করেছে সরকার। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৬২তম সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বীরাঙ্গনারা এ স্বীকৃতি পান। এ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনার সংখ্যা ৩২২। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলার বীরাঙ্গনাদের মধ্যে রয়েছেন, টাঙ্গাইলের মোছা. রবিজান বেওয়া, কিশোরগঞ্জের আমেনা খাতুন, ময়মনসিংহের জয়ন্তী বালা দেবী, দিনাজপুরের উম্মে কুলসুম বেওয়া, ফরিদপুরের আরতী রানী ঘোষ, বরগুনার দিপ্তী রানী পাল, যশোরের মোসা. সালেহা খাতুন, বাগেরহাটের তরুশীল, নাটোরের মালতি কান্তা, জয়পুরহাটের মোছা. ফিরোজা বেগম। চাঁপাইনবাবগঞ্জের মোসা. রহিমা বেগম, গোপালগঞ্জের রানী বণিক, বগুড়ার মীরা রানী সরকার, কুমিল্লার বেগম ফুলবানু, মাদারীপুরের চিন্তাময়ী বাড়ৈ ও আরোতী রানী সাহা, পিরোজপুরের তারামনি মিস্ত্রি, চট্টগ্রামের চত্মা চক্রবর্তী, রাজশাহীর মোসা. ফিরোজা বেগম, মোসা. আঙ্গুরা বেগম, ঝিনাইদহের নিহারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাজেরা ওরফে কুটি, শেরপুরের অজুফা ও মোসা. করফুলি, দিনাজপুরের মোসা. শেফালী বেগম, সিরাজগঞ্জের মোসা. আনোয়ারা বেগম এবং বগুড়ার মোসা. রহিমা খাতুন বেলী মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়াদের মধ্যে আরও রয়েছেন নওগাঁয়ের মায়া বালা, সুষমা বালা, ক্ষান্তা বালা পাল, রাশমনি সূত্রধর, রেনু বালা পাল, সন্ধ্যা রানী পাল, সুষমা পাল, কালী রানী পাল, গীতা রানী পাল ও বাণী রানী পাল এবং নরসিংদীর জোসনা বেগম, হাছিনা ও হাজেরা খাতুন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

বাংলাদেশে খুলে দেওয়া হলো অনলাইন গেম পাবজি

 দক্ষিণ কোরিয়ার কম্পানি ব্লুহোলের তৈরি করা অনলাইন গেম পাবজি (প্লেয়ার আননোনস ব্যাটেল গ্রাউন্ডস) বাংলাদেশে বন্ধ করার পর আবার খুলে দেওয়া হয়েছে। গেমটির মাধ্যমে তরুণরা সহিংসতায় উদ্বুদ্ধ হতে পারে আশঙ্কায় এটি বন্ধ করা হয়েছিল। এর ফলে তরুণ-তরুণীরা জনপ্রিয় অনলাইন গেম পাবজি ইনস্টল করতে পারছিল না।

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার গতকাল শুক্রবার রাত ১১টায়  জানান, রিভিউ করে গেমটি আবার খুলে দেওয়া হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পাবজি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেটা আবার খুলে দেওয়া হয়েছে। আমাদের ধারণা ছিল, এটি খুব ক্ষতিকর একটি বিষয়। পরে পর্যালোচনা করে ক্ষতিকারক এমন কোনো কিছু পাওয়া যায়নি। তাই খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে রেডইট ওয়েবসাইট বন্ধ করা হয়েছে। কারণ এখানে পর্নো উপাদান রয়েছে। বাকি সব কটি গেম খুলে দেওয়া হয়েছে।’

এর আগে বাংলাদেশে পাবজি খেলাটি বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। গেমটি শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের সহিংস করে তুলছে এবং তাদের লেখাপড়া থেকে দূরে রাখছে—এমন আশঙ্কা থেকে প্রায় ১০ দিন আগেই গেমটি যাতে বাংলাদেশে খেলা না যায় তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সুপারিশে এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ওই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সরকারের ‘সাইবার থ্রেট অ্যান্ড সিকিউরিটি রেসপন্স’ প্রকল্প সূত্র জানায়, পাবজি গেম সম্পর্কে প্রচুর অভিযোগ ও এ বিষয়ে বিস্তর গবেষণার পর বন্ধের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পাবজির পাশাপাশি কল অব ডিউটি, রেডিট, পাবজি লাইট গেমও বন্ধ করা হয়। ডিএমপির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগ থেকেও একই তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত এপ্রিলে নেপালে গেমটি নিষিদ্ধ করা হয়। ভারতেও গেমটি নিষিদ্ধ করার চিন্তাভাবনা চলছে। গত এপ্রিলে এ গেমটি নিষিদ্ধ করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মুম্বাই হাইকোর্ট। একটি জনস্বার্থ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। 

ভুক্তভোগীরা জানান, অনলাইনে একাধিক ব্যক্তি মিলে খেলতে হয় এ গেম। একটি নির্জন দ্বীপে অন্যদের হত্যা করে নিজেকে টিকে থাকতে হয় গেমটিতে। শেষ পর্যন্ত যে ব্যক্তি বা দল জীবিত থাকে, সে-ই বিজয়ী হয়। বাংলাদেশের তরুণ সমাজ এ গেম খেলার ফলে নেতিবাচকভাবে আসক্ত হচ্ছে— এমন সন্দেহে কয়েক মাস ধরে পাবজি বন্ধের আলোচনা চলছিল।

অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে গেমটি বাংলাদেশে খেলতে সমস্যা হচ্ছিল বলে অনেক গেমার ফেসবুকে পোস্ট দেন। বর্তমানে বাংলাদেশি সার্ভার ব্যবহার করে গেমটিতে ঢোকা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) আ ফ ম আল কিবরিয়া  বলেন, ‘এটি বন্ধ করার দায়িত্ব বিটিআরসির। তবে এ গেমটির বিরূপ প্রভাব নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা-সমালোচনা চলছিল। পরে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের বেশ কয়েকবার আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন নেতিবাচক, প্রাযুক্তিক ও মানসিক প্রভাবের কথা বিবেচনায় নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে আমরা গেমটিকে নিরুৎসাহিত করছি।’

সৌজন্যে : কালের কণ্ঠ

শিক্ষা

বিমানবন্দর দিয়েই এলো করোনা

বিমানবন্দরে করোনা ভাইরাস স্ক্যানিংয়ের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিলো আগেই। অভিযোগ ছিল করোনা শনাক্তে আন্তর্জাতিক মানের থার্মাল স্ক্যানার ব্যবহার করা হচ্ছে না। তুলনামূলক কম জনবল ও একটি মাত্র স্ক্যানার দিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের যাত্রীদের দায়সারা স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলছে । এতে যেকোনো সময় করোনা আক্রান্ত রোগী দেশে প্রবেশ করতে পারে। এমন আশঙ্কা শেষতক সত্যি প্রমাণিত হল। এই বিমানবন্দর দিয়েই দেশে আসলো করোনা ভাইরাস। দেশে প্রথম যে তিন রোগী শনাক্ত হয়েছে তাদের দুইজন দেশের প্রধান বিমানবন্দর দিয়ে ইতালি থেকে দেশে আসেন। আক্রান্ত অন্যজন ওই দুই ব্যক্তির একজনের মাধ্যমে আক্রান্ত হয়েছেন। বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, পরীক্ষার জন্য আনা তিনটি স্ক্যানারের দুটিই নষ্ট এই তথ্য জানানোর পরও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যে প্রক্রিয়ায় যাত্রীদের পরীক্ষা হচ্ছে তা আন্তর্জাতিক মানের না। সাধারণ প্রক্রিয়ার নামমাত্র পরীক্ষা করে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে। পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় সকল যাত্রীকে সঠিক প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা করা সম্ভবও হচ্ছে না।
করোনাভাইরাস যাতে দেশে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যেগে দেশের সবকটি প্রবেশ পথে আসা যাত্রীদের পরীক্ষা করে দেশে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ঢাকা বিমানবন্দরে এত দিন তিনটি স্ক্যানিং মেশিন দিয়ে যাত্রী স্ক্যানিংয়ের কাজ চলছিলো। সম্প্রতি দুটি মেশিন নষ্ট হওয়াতে যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়ে গেছে। বিশেষ করে একসঙ্গে কয়েকটি ফ্লাইটে আসলে ক্লান্ত যাত্রীদেরকে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর খুব অল্প জনবল দিয়ে আন্তর্জাতিক এই বিমানবন্দরের বিপুল সংখ্যক যাত্রীদের পরীক্ষা করছে। তাই অনেক ক্ষেত্রে যাত্রীদের যেমন বাড়তি সময় ক্ষেপন হচ্ছে ঠিক তেমনি পরীক্ষা নীরিক্ষাও ঠিকমত করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ আছে। বিদেশ ফেরৎ যাত্রীরা বলেছেন, বিমান থেকে নামার পর একটি মেশিনের মধ্যে দিয়ে আসতে হয়। যেখানে শরীরে তাপমাত্রা ও শারীরিক বেশকিছু তথ্য জানা যায়। এরপর মৌখিকভাবে জ্বর, ঠান্ডা ও কাঁশি আছে কিনা এসব জিজ্ঞেস করা হয়। এরপর একটি ফরম পূরন করতে বলা হয়।
বেশিরভাগ সচেতন যাত্রী ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, করোনাভাইরাস শনাক্তের জন্য এটি পর্যাপ্ত নয়। আরো উন্নত ও আন্তর্জাতিক উপায়ে শনাক্ত করা উচিত। কারণ প্রতিদিনই বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার যাত্রী দেশে আসছেন। এসব যাত্রীদের মাধ্যমে করোনা প্রবেশ সময়ের ব্যাপার। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বিমানবন্দর কর্র্তৃপক্ষকে জানিয়েছে খুব শিগগির নতুন মেশিন আসছে।
এদিকে করোন ভাইরাসের স্ক্রিনিং নিয়ে গতকাল বিমানবন্দরে কথা হয় বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরা যাত্রীদের। কলকাতা ফেরত সুভাষ সাহা ও মিনু সাহা দম্পত্তি বলেন, কলকাতায় খুব গুরুত্ব সহকারে স্ক্যানিং করা হয়। আর এখানে যেভাবে করা হয় সেটি পর্যাপ্ত নয়। ইউএস বাংলার ২০৪ নম্বরের বিমানের একটি ফ্লাইটে করে ঢাকায় এসে পোঁছেছি। নামার পর দেখি একটি স্ক্যানিং মেশিনে স্ক্যান করা হচ্ছে যাত্রীদের। পরে লম্বা লাইন পার হয়ে স্ক্যানিং করে একটি ফরম পুরণ করে আমরা বের হয়েছি।
দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ব্যাংককের ফ্লাইট টিজে ৩২১ এ আসা যাত্রী মাসুদ রানা বলেন, আমি পার হওয়ার সময় কোনো ঝামেলা ছিলো না। স্ক্যানারে আমার শরীরের তাপমাত্রা আছে কিনা সেটি দেখা হয়েছে। এরপর স্বাস্থ্যকর্মীরা আমার জ্বর, সর্দি কাশি বা অন্যকোনো সমস্যা আছে কিনা সেটি জিজ্ঞেস করেছেন। পরে একটি ফরম পুরণ করার পর বেরিয়ে আসি। তিনি বলেন, বিদেশে আরো ভালো প্রযুক্তি দিয়ে ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। এখানে সেটি মানহীন মনে হলো। বরগুনার তালতলীর জামাল উদ্দিন বলেন, বিমান থেকে নামার পরেই একটা স্ক্যানিং মেশিনের নিচ দিয়ে বের হলাম। তারপর আমাকে দিয়ে একটি ফরম পুরন করে ছেড়ে দিয়েছে। কি পরীক্ষা করলো সেটিও বুঝি নাই। রাজ্জাক হাওলাদার নামের আরেক যাত্রী বলেন, করোনা নিয়ে দেশে-বিদেশে এত আলোচনা অথচ প্রবেশ পথে ঝুঁকি এড়াতে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
করোনা ভাইরাসের স্ক্যানিং নিয়ে বিমানবন্দরের পরিচালক এ্‌ইচএম তৌহিদ-উল আহসান মানবজমিনকে বলেন, এটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণেই হচ্ছে। মেশিন ও জনবল সবই তাদের। এতদিন তিনটা স্ক্যানিং মেশিন দিয়ে কাজ করা হয়েছে। এখন দুইটা নষ্ট হয়ে গেছে। ১টি মেশিন দিয়েই স্ক্যানিং চলছে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিপুল সংখ্যক যাত্রীর জন্য একটি স্ক্যানিং মেশিনই যথেষ্ট কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যখন বেশি যাত্রী হয়ে যায় তখন লম্বা লাইনের সৃষ্টি হয়। আর আমাদের জায়গার সংকটও আছে। সেক্ষেত্রে একটি স্ক্যানিং মেশিন পর্যাপ্ত নয়। এছাড়া যারা স্ক্যান করছেন তাদের সংখ্যাও কম। ৩/৪টা ফ্লাইটের যাত্রীরা যখন একসঙ্গে আসে তখন দীর্ঘ লাইন ও সাময়িক সমস্যার সৃষ্টি হয়।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ কি করছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে পরামর্শ দিয়েছি। তারা আমাদেরকে জানিয়েছেন মেশিন ক্রয়ের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। খুব শিগগির নতুন মেশিন আনা হবে। করোনা শনাক্তের মান নিয়ে তিনি বলেন, মানহীন বা আন্তর্জাতিক উপায়ে করোনা শনাক্ত হচ্ছে না বিষয়টিও আমরা তাদের কাছে অভিযোগ করেছি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আমাদের অভিযোগ নিয়েছে এবং এ বিষয়ে তারা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বলে আমাদেরকে জানিয়েছে। চীন থেকে করোনা ভাইরাস যাতে বাংলাদেশে প্রবেশ না করে সেজন্য চীন ফেরৎ যাত্রীদের স্ক্যানিং করে প্রবেশ করতে দেয়া হতো। এখন সব দেশের যাত্রীদের স্ক্যানিং করা হয় কিনা এমন প্রশ্নে তৌহিদ-উল আহসান বলেন, প্রথম থেকেই সব দেশের যাত্রীদের স্ক্যানিং করা হচ্ছে। কারণ স্ক্যানিং মেশিন এমন স্থানে রাখা হয়েছে বের হতে গেলে সবাই অটো স্ক্যান হয়ে যাচ্ছেন। সবাইকে ওইদিকেই বের হতে হবে। অন্য কোনো অপশন নাই।
ওদিকে ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়া চট্টগামের শাহ আমানত বিমানবন্দরের থার্মাল স্ক্যানারটি ৯ মাস ধরে বিকল। তাই ইনফ্রারেড থার্মোমিটার দিয়েই এই বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলছে। এছাড়া সিলেটের ওসমানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্মাল স্ক্যানারটিও দেড় বছর ধরে নষ্ট। এছাড়া স্থল ও সমূদ্র বন্দরেও যাত্রীদের পরীক্ষা হচ্ছে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে।



বিনোদন

যার সঙ্গে প্রেম করছি সে মিডিয়ার কেউ না: জয়া আহসান

 প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর কথা জানালেন বাংলাদেশ ও ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। তিনি বলেন, আমি প্রেম করছি। তার বাড়ি বাংলাদেশে, তবে মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির কেউ নন। 

সম্প্রতি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা জানান। সঙ্গে ছিলেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও। 

প্রসঙ্গত, এই দুই তারকার বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘রবিবার’ মুক্তি পেতে যাচ্ছেন ২৭ ডিসেম্বর। আপকামিং সেই সিনেমার বিষয় ছাড়াও ব্যক্তিগত জীবনের নানা দিক নিয়ে কথা বলেন তারা।

দীর্ঘ সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে জয়াকে জিজ্ঞেসা করা হয়, ‘এক তারকা থেকে জানা গেছে আপনি বাংলাদেশের একজনের সঙ্গে প্রেম করছেন এবং আগামী বছর বিয়ে করতে যাচ্ছেন?’ উত্তরে অবাক হয়ে জয়া বলেন, ‘ওহ! আমাকে নিয়ে এসব কথা কে বলছেন?’

পরক্ষণে সাংবাদিক বলেন, ‘আপনি কি তাহলে এটিকে আরেকটি গুজব বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন?’ এ সময় প্রেমের কথা স্বীকার করে জয়া আহসান বলেন, ‘না। আমি প্রেম করছি। সে বাংলাদেশের, তবে মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির কেউ নন। যদিও বিয়ের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।’

সৌজন্যে :: বিডি প্রতিদিন

খেলাধুলা

বাংলাদেশে আটকা শতাধিক বিদেশি ফুটবলার

বিশ্বের প্রায় ১২৬টি দেশে ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস। করোনা ভাইরাসের কারণে স্থগিত হয়ে গেছে দেশের সব খেলাধুলা। স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ স্থগিত করেছে ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগেও খেলতে এসেছেন এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ফুটবলাররা। যাদের পরিবার থাকেন নিজ দেশে। এই মুহূর্তে অনেকেই ফিরে যেতে চাইছেন নিজ নিজ পরিবারের কাছে। আতঙ্কিত পরিবারকে সময় দিতে চাইছেন তারা। কিন্তু বিদেশের সঙ্গে অধিকাংশ ফ্লাইট বন্ধ থাকায় পারছেন না যেতে।   তবে সব সময় তারাও আতঙ্কে থাকেন করোনা ভাইরাস নিয়ে।
বাংলাদেশের পেশাদার শীর্ষ ফুটবল লীগে অংশ নিচ্ছে ১৩টি ক্লাব। প্রত্যেক ক্লাবেই আছেন পাঁচজন করে বিদেশি ফুটবলার। দু’একটি ক্লাবে সংখ্যাটি আরো বেশি। বসুন্ধরা কিংসের হয়ে এএফসি কাপ খেলছেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড হার্নান বার্কোস, কোস্টারিকার হয়ে বিশ্বকাপ খেলা ড্যানিয়েল কলিনদ্রেস। আবাহনীতে আছেন নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার সানডে সিজুবা। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের বাইরেও ঢাকায় অনেক বিদেশি ফুটবলার আছেন, যারা ভাড়ায় খেলে থাকেন। এরাই সবাই এখন আটকা পরেছেন করোনা ভাইরাসের কারণে। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ম্যানেজার আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘বিদেশি ফুটবলাররা সবাই আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তাদেরকে নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দিতে পারলে আমরাও বেঁচে যেতাম। কারণ তারা পরিবার নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছে। যদিও আমরা জানি করোনা ভাইরাস যেভাবে সংক্রমণ শুরু করেছে, তাতে আগামী তিনমাসের মধ্যেও আর লীগ শুরুর সম্ভাবনা নেই।’ ব্রাদার্স ইউনিয়নের ম্যানেজার আমের খান বলেন, ‘বিদেশি ফুটবলাররা দেশে যেতে চায়। কেউ কেউ খুবই উদগ্রীব হয়ে পড়েছে পরিবার নিয়ে। কিন্তু আমাদের তো কিছুই করার নেই। তাই তাদেরকে বলেছি, এই অবস্থায় কোথাও যাওয়া যাবে না। সরকার সব ধরনের ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছে। ভাবছি যদি ফ্লাইট খোলে, তাহলে তাদেরকে নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দিবো। কারণ জীবনের আগে অন্য কিছুই নেই।’ মোহামেডানের ম্যানেজার ইমতিয়াজ আহমেদ নকিব বলেন, ‘আমাদের ব্রিটিশ কোচ শিন লেন ঢাকাতেই সময়টা উপভোগ করছেন। কারণ পরিস্থিতি সবাইকেই মেনে নিতে হবে। বিদেশি ফুটবলাররা চাইছে নিজ দেশে ফিরে যেতে। কিন্তু কোনো সুযোগ নেই। তাই যেতে পারছে না। ফলে ভাগ্যকে মেনে নিয়েছে সবাই। স্থানীয়দের চারদিনের ছুটি দেয়া হয়েছে। বিদেশি ফুটবলাররা ক্লাবেই থাকবে সব নিয়ম মেনে।’ শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের ম্যানেজার আনোয়ারুর করিম হেলাল বলেন, ‘বিদেশি ফুটবলারদের নিয়ে আমরা বসেছিলাম। তাদের কথাও শুনেছি। তারাও যেতে চাইছিল। কিন্তু তাদের যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই ক্লাবেই তাদের থাকতে হবে। করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখতে ডাক্তারসহ সব ধরনের ব্যবস্থাই থাকবে ক্লাবে। আশা করি তাদের কোনো সমস্যা হবে না।’ ঢাকা আবাহনী লিমিটেডের ম্যানেজার সত্যজিৎ দাস রুপু বলেন, ‘বিদেশিরা সবাই ভালো আছে। তবে তাদের মধ্যে তিনজন পরিবার নিয়ে ঢাকাতেই এপার্টমেন্টে থাকছে। তাই তাদের সমস্যা নেই। বাকি বেলফোর্ট ও সানডে ক্লাবেই রয়েছে। তাদের সুরক্ষা দিবো আমরা। তাছাড়া আমাদের কোচ মারিও লেমোসও এখানে থাকছেন।’ বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসান অবশ্য বিদেশি ফুটবলারদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই নিজ দেশে পাঠাতে নারাজ। তিনি বলেন, ‘এখন লীগ বন্ধ। আজ (গতকাল) থেকে সবাইকে ছুটি দিয়েছি। স্থানীয় ফুটবলাররা বাড়ি চলে যাচ্ছে। তবে বিদেশি ও কোচিং স্টাফদের আমরা ক্লাবেই রেখে দিয়েছি। তারা যদি দেশে যেতে চায়, তাহলে সেখানে ১৪ দিন থাকতে হবে কোয়ারেন্টিনে। আবার বাংলাদেশে আসলে ফের ১৪দিন থাকতে হবে। এই সমস্যায় তারাও যেতে রাজি নয়। তাছাড়া তাদের সুরক্ষার বিষয়টি আমরা দেখবো।’ আপনার মতামত দিন  





যেভাবে ঘরেই করবেন করোনা চিকিৎসা, বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কিছু পরামর্শ

গ্যাস্ট্রিক সমস্যা দূর করে কাঁচা পেঁপে

৫ সেপ্টেম্বর: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

সেনজেন ভিসা পেতে করণীয়

১৪ বোতলে ৪০ কেজি বালু, কারাদণ্ডের শঙ্কায় তাঁরা

হাতি দেখতে চুনতি