আজ শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯

নির্বাচিত

আলোচিত




ফ্রি আইটি লার্নিং প্রজেক্ট’র প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. হায়াতুল ইসলাম আকঞ্জী সহ অতিথিবৃন্দ ফিতা কেটে উদ্বোধন করছেন।

বিয়ানীবাজার আইনজীবী পরিষদ’র আত্মপ্রকাশ

ফুলতলী কামিল মাদরাসা শতবর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান ২০ ফেব্রুয়ারি, ব্যাপক প্রস্তুতি

দক্ষিণ সুনামগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরোহী নারীর মৃত্যু

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় মালবাহী ট্রাক খাদে পড়ে হেলপার নিহত

মৌলভীবাজারে ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু



সিরাজগঞ্জে ঝুলন্ত স্বামী আর বিছানায় স্ত্রীর লাশ উদ্ধার

ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে হাজারো ইসরায়েলি কেন?

লন্ডনে তারেক রহমানের ৫৫তম জন্মবার্ষিকী পালন



মুক্তিযুদ্ধ

সিলেটের ৬ জন সহ ৪০ জন বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি প্রদান

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের হাতে নির্যাতিত সিলেটের ৬ বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি লাভ করেছেন। মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া সিলেটের ৬ বীরাঙ্গনা হলেন- কোকিলা বেগম, রেজিয়া বেগম, মায়া বিবি, জয়গুণ নেছা, ললিতা নমসুদ্র, শহর বানু মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেলেন। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলার মিলে আরো ৪০ জন বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি গেজেট সম্প্রতি জারি করেছে সরকার। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৬২তম সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বীরাঙ্গনারা এ স্বীকৃতি পান। এ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনার সংখ্যা ৩২২। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলার বীরাঙ্গনাদের মধ্যে রয়েছেন, টাঙ্গাইলের মোছা. রবিজান বেওয়া, কিশোরগঞ্জের আমেনা খাতুন, ময়মনসিংহের জয়ন্তী বালা দেবী, দিনাজপুরের উম্মে কুলসুম বেওয়া, ফরিদপুরের আরতী রানী ঘোষ, বরগুনার দিপ্তী রানী পাল, যশোরের মোসা. সালেহা খাতুন, বাগেরহাটের তরুশীল, নাটোরের মালতি কান্তা, জয়পুরহাটের মোছা. ফিরোজা বেগম। চাঁপাইনবাবগঞ্জের মোসা. রহিমা বেগম, গোপালগঞ্জের রানী বণিক, বগুড়ার মীরা রানী সরকার, কুমিল্লার বেগম ফুলবানু, মাদারীপুরের চিন্তাময়ী বাড়ৈ ও আরোতী রানী সাহা, পিরোজপুরের তারামনি মিস্ত্রি, চট্টগ্রামের চত্মা চক্রবর্তী, রাজশাহীর মোসা. ফিরোজা বেগম, মোসা. আঙ্গুরা বেগম, ঝিনাইদহের নিহারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাজেরা ওরফে কুটি, শেরপুরের অজুফা ও মোসা. করফুলি, দিনাজপুরের মোসা. শেফালী বেগম, সিরাজগঞ্জের মোসা. আনোয়ারা বেগম এবং বগুড়ার মোসা. রহিমা খাতুন বেলী মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়াদের মধ্যে আরও রয়েছেন নওগাঁয়ের মায়া বালা, সুষমা বালা, ক্ষান্তা বালা পাল, রাশমনি সূত্রধর, রেনু বালা পাল, সন্ধ্যা রানী পাল, সুষমা পাল, কালী রানী পাল, গীতা রানী পাল ও বাণী রানী পাল এবং নরসিংদীর জোসনা বেগম, হাছিনা ও হাজেরা খাতুন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

বাংলাদেশে খুলে দেওয়া হলো অনলাইন গেম পাবজি

 দক্ষিণ কোরিয়ার কম্পানি ব্লুহোলের তৈরি করা অনলাইন গেম পাবজি (প্লেয়ার আননোনস ব্যাটেল গ্রাউন্ডস) বাংলাদেশে বন্ধ করার পর আবার খুলে দেওয়া হয়েছে। গেমটির মাধ্যমে তরুণরা সহিংসতায় উদ্বুদ্ধ হতে পারে আশঙ্কায় এটি বন্ধ করা হয়েছিল। এর ফলে তরুণ-তরুণীরা জনপ্রিয় অনলাইন গেম পাবজি ইনস্টল করতে পারছিল না।

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার গতকাল শুক্রবার রাত ১১টায়  জানান, রিভিউ করে গেমটি আবার খুলে দেওয়া হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পাবজি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেটা আবার খুলে দেওয়া হয়েছে। আমাদের ধারণা ছিল, এটি খুব ক্ষতিকর একটি বিষয়। পরে পর্যালোচনা করে ক্ষতিকারক এমন কোনো কিছু পাওয়া যায়নি। তাই খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে রেডইট ওয়েবসাইট বন্ধ করা হয়েছে। কারণ এখানে পর্নো উপাদান রয়েছে। বাকি সব কটি গেম খুলে দেওয়া হয়েছে।’

এর আগে বাংলাদেশে পাবজি খেলাটি বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। গেমটি শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের সহিংস করে তুলছে এবং তাদের লেখাপড়া থেকে দূরে রাখছে—এমন আশঙ্কা থেকে প্রায় ১০ দিন আগেই গেমটি যাতে বাংলাদেশে খেলা না যায় তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সুপারিশে এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ওই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সরকারের ‘সাইবার থ্রেট অ্যান্ড সিকিউরিটি রেসপন্স’ প্রকল্প সূত্র জানায়, পাবজি গেম সম্পর্কে প্রচুর অভিযোগ ও এ বিষয়ে বিস্তর গবেষণার পর বন্ধের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পাবজির পাশাপাশি কল অব ডিউটি, রেডিট, পাবজি লাইট গেমও বন্ধ করা হয়। ডিএমপির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগ থেকেও একই তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত এপ্রিলে নেপালে গেমটি নিষিদ্ধ করা হয়। ভারতেও গেমটি নিষিদ্ধ করার চিন্তাভাবনা চলছে। গত এপ্রিলে এ গেমটি নিষিদ্ধ করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মুম্বাই হাইকোর্ট। একটি জনস্বার্থ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। 

ভুক্তভোগীরা জানান, অনলাইনে একাধিক ব্যক্তি মিলে খেলতে হয় এ গেম। একটি নির্জন দ্বীপে অন্যদের হত্যা করে নিজেকে টিকে থাকতে হয় গেমটিতে। শেষ পর্যন্ত যে ব্যক্তি বা দল জীবিত থাকে, সে-ই বিজয়ী হয়। বাংলাদেশের তরুণ সমাজ এ গেম খেলার ফলে নেতিবাচকভাবে আসক্ত হচ্ছে— এমন সন্দেহে কয়েক মাস ধরে পাবজি বন্ধের আলোচনা চলছিল।

অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে গেমটি বাংলাদেশে খেলতে সমস্যা হচ্ছিল বলে অনেক গেমার ফেসবুকে পোস্ট দেন। বর্তমানে বাংলাদেশি সার্ভার ব্যবহার করে গেমটিতে ঢোকা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) আ ফ ম আল কিবরিয়া  বলেন, ‘এটি বন্ধ করার দায়িত্ব বিটিআরসির। তবে এ গেমটির বিরূপ প্রভাব নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা-সমালোচনা চলছিল। পরে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের বেশ কয়েকবার আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন নেতিবাচক, প্রাযুক্তিক ও মানসিক প্রভাবের কথা বিবেচনায় নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে আমরা গেমটিকে নিরুৎসাহিত করছি।’

সৌজন্যে : কালের কণ্ঠ

শিক্ষা

কারবালার মরু-প্রান্তরে ইমাম হুসাইন (আ)

আজ থেকে ১৩৮০ চন্দ্র-বছর আগে ৬১ হিজরির এ দিনে (দোসরা মহররম) কারবালার কালজয়ী বিপ্লবের মহানায়ক হযরত ইমাম হুসাইন (আ.) বিশ্বের সবচেয়ে করুণ অথচ বীরত্বপূর্ণ ঘটনার অকুস্থল কারবালার মরু-প্রান্তরে এসে পৌঁছেন। দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার। সর্বোচ্চ ত্যাগের দৃষ্টান্ত রেখে ৮ দিন পর মানবতার শত্রুদের হাতে এখানেই তিনি শাহাদত বরণ করেছিলেন। কুফায় নিযুক্ত ইয়াজিদের গভর্নর নিনেভা বা নেইনাভা অঞ্চলের কারবালা প্রান্তরে ইমাম হুসাইনের কাফেলার আগমন সম্পর্কে জানতে পারে। পানি, ঘাস ও দুর্গবিহীন এই শুস্ক এলাকায় কুফাগামী ইমামের কাফেলাকে নিয়ে আসার পেছনে ইয়াজিদ-বাহিনীর জেনারেল হোরের ভূমিকা ছিল। এ রকম একটি এলাকায় ইমামের কাফেলাকে আসতে বাধ্য করার জন্য হোরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। ইমাম হুসাইন (আ) কারবালায় পৌঁছেই জানতে পারেন ওই এলাকার নাম কারবালা। তখনই তিনি জানান যে, সেখানে তার ও সঙ্গীদের শাহাদাত ঘটবে এবং তাদের নারী ও শিশুদের বন্দি করবে ইয়াজিদ বাহিনী। এ দিনেই তিনি কাইস বিন মাসহারকে দূত হিসেবে কুফায় পাঠান। ইমাম তার কাছে একটি চিঠি দিয়েছিলেন কুফায় তার সমর্থক নেতাদের উদ্দেশ্যে। কিন্তু ইয়াজিদের সেনারা কাইসকে পথে গ্রেফতার করে। কাইস ইয়াজিদের বিরুদ্ধে কথা বলায় তাকে শহীদ করা হয়। ইবনে জিয়াদ দোসরা মহররম ইমামের কাছে একটি চিঠি পাঠায়। ওই চিঠিতে সে জানায়, তাকে ও তার সঙ্গীদেরকে ইয়াজিদের প্রতি বায়আত বা আনুগত্যের অঙ্গীকার করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, এর অন্যথা হলে তাদেরকে হত্যা করতে বলেছেন ইয়াজিদ। ইমাম এ চিঠির জবাব না দিয়ে বললেন, ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদের জন্য কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে। জালিম ও মহাপাপিষ্ঠ শাসক ইয়াজিদের প্রতি আনুগত্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি মহাবিপ্লবের প্রস্তুতি নিচ্ছেলেন যাতে নানাজান বিশ্বনবী (সা.)’র ধর্মের পবিত্রতা রক্ষা পায় এবং প্রকৃত ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার পথ খুলে যায়। মদীনা থেকে মক্কায় গিয়ে তিনি ইয়াজিদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। এরপর নিরাপত্তার কারণে এবং পবিত্র ও শান্তির নগরী মক্কায় রক্তপাত এড়ানোর জন্য তিনি হজ না করেই ইরাকের কুফার দিকে রওনা দেন। ইয়াজিদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়েছেন শুনে কুফার দোদুল-মনা লোকেরা তাকে ইসলামী বিপ্লবের নেতৃত্ব দেয়ার ও ইসলামী হুকুমাত কায়েমের মাধ্যমে মদ্যপ, জুয়াড়ি ও ব্যভিচারী ইয়াজিদের প্রজা হওয়ার কলঙ্ক থেকে মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। কুফাবাসী’র পক্ষ থেকে ১৮ হাজার চিঠি তাঁর কাছে পৌঁছে এবং প্রতিটি চিঠির মধ্যে ১০০ জনের স্বাক্ষর ছিল। কিন্তু প্রয়োজনের সময় কারবালায় খুব কম লোকই তাকে সহায়তা দিয়েছে। ফলে ইয়াজিদের প্রায় ত্রিশ হাজার সদস্যের সুসজ্জিত বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রায় ১০০ থেকে ১৪০ জন সঙ্গী নিয়ে তিনি বীরের মত লড়াই করে শহীদ হন। এই অসম লড়াইয়ে তার পরিবারের অনেক সদস্যসহ ৭২ জন সঙ্গী শহীদ হন। কারবালা বিপ্লব মুসলমানদের মধ্যে প্রকৃত ইসলামের চেতনা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করেছে। আর এ জন্যই বলা হয়: ইসলাম জিন্দা হোতা হ্যায় হর কারবালা কি বাদ। অর্থাত প্রতিটি কারবালার পরই জীবিত হয় ইসলাম। ইমাম হুসাইন (আ.) মনে করতেন তার শাহাদত ও রক্তদান ছাড়া যদি ইসলাম পুনরুজ্জীবিত না হয় তাহলে শাহাদতই উত্তম এবং ইয়াজিদের মত শাসক যদি বিনা বাধায় ও আপত্তিতে ‘ইসলামী সমাজের নেতা’ হন তাহলে ইসলাম চিরতরে ধ্বংস হয়ে যাবে। সত্যের পথে শাহাদত মধুর চেয়েও মিষ্টি এই সংস্কৃতি চালু করে গেছেন কারবালার বীর শহীদরা। ইসলামকে আর কোনো কিছুই এত প্রাণ ও মর্যাদা দেয় না যা দেয় শাহাদত। কবি নজরুলের ভাষায়: আঁজলা ভরে আনলো কি প্রাণ কারবালাতে বীর শহীদান



বিনোদন

যার সঙ্গে প্রেম করছি সে মিডিয়ার কেউ না: জয়া আহসান

 প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর কথা জানালেন বাংলাদেশ ও ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। তিনি বলেন, আমি প্রেম করছি। তার বাড়ি বাংলাদেশে, তবে মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির কেউ নন। 

সম্প্রতি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা জানান। সঙ্গে ছিলেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও। 

প্রসঙ্গত, এই দুই তারকার বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘রবিবার’ মুক্তি পেতে যাচ্ছেন ২৭ ডিসেম্বর। আপকামিং সেই সিনেমার বিষয় ছাড়াও ব্যক্তিগত জীবনের নানা দিক নিয়ে কথা বলেন তারা।

দীর্ঘ সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে জয়াকে জিজ্ঞেসা করা হয়, ‘এক তারকা থেকে জানা গেছে আপনি বাংলাদেশের একজনের সঙ্গে প্রেম করছেন এবং আগামী বছর বিয়ে করতে যাচ্ছেন?’ উত্তরে অবাক হয়ে জয়া বলেন, ‘ওহ! আমাকে নিয়ে এসব কথা কে বলছেন?’

পরক্ষণে সাংবাদিক বলেন, ‘আপনি কি তাহলে এটিকে আরেকটি গুজব বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন?’ এ সময় প্রেমের কথা স্বীকার করে জয়া আহসান বলেন, ‘না। আমি প্রেম করছি। সে বাংলাদেশের, তবে মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির কেউ নন। যদিও বিয়ের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।’

সৌজন্যে :: বিডি প্রতিদিন

খেলাধুলা

ঐতিহাসিক টেস্টে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

ঐতিহাসিক দিবারাত্রির কলকাতা টেস্টে ভারতের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। 

আজ শুক্রবার দুপুর দেড়টায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সিরিজের দ্বিতীয় এই টেস্ট শুরু হতে যাচ্ছে। ইন্দোর টেস্ট জিতে এরই মধ্যে টিম ইন্ডিয়া ১-০ তে লিড নিয়ে রেখেছে।

ভারত-বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর প্রাক্বালে দিবারাত্রির টেস্ট আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়। হুট করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও এই ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখতে আয়োজনের কমতি ছিল না

১৫৫ বছরের পুরনো ও অভিজাত ইডেনে এখন পর্যন্ত টেস্ট হয়েছে ৪১টি। ১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালও হয়েছিল এখানে। 





গ্যাস্ট্রিক সমস্যা দূর করে কাঁচা পেঁপে

৫ সেপ্টেম্বর: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

ভবঘুরে রানু মণ্ডলের জীবনের গল্প শুনুন

সেনজেন ভিসা পেতে করণীয়

১৪ বোতলে ৪০ কেজি বালু, কারাদণ্ডের শঙ্কায় তাঁরা

হাতি দেখতে চুনতি